পোকা-মাকড়

পোকার ছবি তোলা খুবই ঝামেলার কাজ। তার উপ্রে এইখানে পোকা মাকড়ের বড়ই অভাব।বাংলাদেশে কত সুন্দর সুন্দর প্রজাপতি ঘরের ভিতর ঢুকে যায়…মানুষের গায় বসে, আর এইখানে পোকার পিছনে দৌড়াই।অনেক চেষ্ট করে এইগুলি তুলসি।ছবি গুলো বেশ কিছুদিন আগেই তোলা। পোস্ট করলাম কিছুদিন সময় নিয়ে। যদি আরও কিছু পোকার ছবি তুলতে পারি, এই আশায়।

ফড়িং-১

বিস্তারিত পড়ুন

পো’বয় ফেস্টিভল

ক’দিন আগেই হয়ে গেল নিউ অর্লিন্সের বিখ্যাত পো’বয় ফেস্টিভল। পো’বয় হচ্ছে বিশেষ এক ধরনের স্যান্ডউইচ। নানা রকমের পো’বয় আছে, চিকেন-বিফ-চিংরি-পর্ক-ক্যাট ফিশ আরও কত পদ। পো’বয় তৈরির মূল উপকরন ফ্রেঞ্চ ব্রেড। এটা সাধারনত দুই ফিট লম্বা বিশেষ ধরনের ব্রেড। এই ব্রেডের বাইরের আবরন হয় অনেক মচমচে আর ভেতরের অংশটা  মোলায়েম। ব্রেডের মাঝ বরাবর কেটে তার ভেতরে কিছু সস, সবজি আর চিকেন/বিফ/চিংরি/পর্ক দিলেই হয়ে গেল পো’বয়। এটা নিউ অর্লিন্সের সবচে জনপ্রিয় খাবার। নিউ অর্লিন্সকে বলা হয় “ইউনিক সিটি”; যে শহরে একটা স্যান্ডউইচ নিয়ে পুরো একটা উৎসব হয়, সেই শহরকে ইউনিক না বলে উপায় আছে?

ফ্রেঞ্চ ব্রেড সাথে কিছু সবজি

বিস্তারিত পড়ুন

প্রায় সাদাকালো…

সাদাকালো ছবি কেন আনি সব সময়ই আমার খুব ভাল লাগে। এই ভাল লাগার বহিঃপ্রকাশ আমার কয়েকটি সাদাকালো ছবি। আমি অবশ্য কিছু ছবিতে কিছু রঙ রেখেছি। সেজন্যই পোস্টের নাম প্রায় সাদাকালো।  কিছুই না, সামান্য খানিকটা রঙের জন্য যদি ছবিগুলো দেখতে খানিকটা ভাল লাগে- এই আশা। ছবিগুলো গিম্প দিয়ে এডিট করা। অনেক সময় নিয়ে এডিট করতে চেষ্টা করলাম। জানিনা অন্যদের কেমন লাগবে। আপনাদের যেকোনো মন্তব্য, পরামর্শ বা ভাল লাগা-না লাগা এই সব প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় থাকলাম।

রাস্তার ধারে স্কোয়ারেল্‌, নিউ অর্লিন্সের খুবই সাধারন দৃশ্য।

বিস্তারিত পড়ুন

প্রচেষ্টা

ছবি তুলতে ভাল্লাগে।

কিছু ক্লোজ-আপ ছবি তোলার চেষ্টা করলাম। ছবিগুলো পোষ্ট-ইমেজ প্রসেসিং করা।

ক্যামেরা: ক্যানন এসে.এক্স২০ আই.এস।

নাম না জানা ফুল-১

বিস্তারিত পড়ুন

প্রথম ব্লগর ব্লগর

বসন্তকালীন ছুটি প্রায় শেষ। কোথাও যাওয়া হল না এই ছুটিতে। বেশ কিছু কাজ জমে ছিল। ভাবছিলাম এই ছুটিতেই কাজগুলো করে ফেলব। কিন্তু তা আর হল কই! কেমন করে যে ছুটির পাচঁ দিন কেটে গেল টেরই পেলাম না। ভাবছিলাম আজ থেকে সিরিয়াসলি শুরু করব। এটা অবশ্য দুই তিনদিন আগে থেকেই ভাবছি। ছুটির বাকি আর মাত্র তিন দিন। আমার ছুটির সময়গুলা সাধারনত তিনটা ভাগে ভাগ করা যায়। প্রথম ভাগ যায় এটা ভেবে যে, মাত্র ছুটি শুরু হল, এত তাড়া কিসের, সময়তো আছেই। মাঝেরটা যায় এটা ভেবে যে, অনেক সময় নস্ট করে ফেলেছি, সামনের সময়টা কাজে লাগাতে হবে। শেষের ভাগটা যায়, আবার কবে ছুটি পামু তার ঠিক নাই, এই কয়দিন একটু আরাম কইরা লই, এটা ভেবে। এর মধ্যে শুরু হল প্রচন্ড মাথা ব্যাথা। কামে ফাকি দেওয়ার ভাল অজুহাত। আহ্ আজকে ইচ্ছামত সময় নস্ট করতে পারব, অপরাধবোধটা কম কাজ করবে। পেইনকিলার খেয়ে চুপচাপ সিনেমা দেখতে দেখতে রেস্ট নিতে থাকলাম।
বিস্তারিত পড়ুন