ফ্রেঞ্চ কোয়ার্টার, নিউ অর্লিন্স

পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে অনেক ব্যাস্ত আছি কিছুদিন ধরে। সামনে পরীক্ষা থাকলে যা হয়, অনেক সময় এমন হয় যে পড়ছি না, কিন্তু মাথায় সবসময় পরীক্ষার টেনশন থাকে। ছবি তোলাতুলি অনেক কমে গেছে স্বাভাবাবিক ভাবেই। একই কারনে অনেক দিন কোনো পোষ্টও দেয়া হচ্ছে না। কেন জানি আজ একটা পোষ্ট দিতে মন চাইল। তাই, বেশ কিছুদিন আগে তোলা কিছু ছবি দিয়ে ফাঁকিবাজি টাইপের একটা পোষ্ট দিলাম।

নিউ অর্লিন্স থাকছি দুবছর ধরে। এই দুই বছরে অনেকবার গিয়েছি ফ্রেঞ্চ কোয়ার্টার। যায়গাটা এক কথায় দারুন। ইতিহাস বলে, সর্বপ্রথম নিউ অর্লিন্সে বসতি স্থাপন করে ফ্রেঞ্চরা, ১৭১৮ সালে। ঠিক মিসিসিপি নদীর পাড়ে আর নিউ অরলিন্সের অন্য যায়গার চেয়ে উঁচু এমন একটা যায়গা বের করে ওরা বসতি স্থাপনের জন্য আর নাম দেয় ফ্রেঞ্চ কোয়ার্টার। কালের পরিক্রমায় ১৭৬৬ সালে নিউ অর্লিন্স, তথা ফ্রেঞ্চ কোয়ার্টারের নিয়ন্ত্রন চলে আসে স্প্যানিশদের হাতে। বলে রাখা ভাল, ফ্রেঞ্চ স্থাপত্যের মূল উপকরন ছিল কাঠ। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ১৭৮৮ এবং ১৭৯৪ সালের দুটি বড় অগ্নি দুর্ঘটনায় প্রায় সব ফ্রেঞ্চ স্থাপত্য পুড়ে যায়। সাবধানতা হিসেবে এর পর বাড়িঘর, দালানকোঠা তৈরি করা হয় ইট, লোহা ইত্যাদি দিয়ে, স্প্যানিশ রীতিতে। আর আইন করে ১৯২০ সাল থেকে সেসব দালানকোঠা রক্ষা করে আসছে মার্কিন সরকার। তাই নামটা যদিও ফ্রেঞ্চ কোয়ার্টার, সেখানে গেলে আজ আপনি দেখবেন স্প্যানিশ স্থাপত্য।

স্প্যানিশ স্থাপত্য-১
স্প্যানিশ স্থাপত্য-২
স্প্যানিশ স্থাপত্য-৩
স্প্যানিশ স্থাপত্য-৪
স্প্যানিশ স্থাপত্য-৫

উপরের ছবিগুলোতে ব্যালকনিগুলোয় কারুকাজময় লোহার গ্রিল দ্রষ্টব্য। ফ্লিকারে পূর্ন রেজুলুশনের ছবিতে আরো স্পষ্ট বোঝা যাবে।

ঘোড়ার গাড়ি
দূরে দেখা যাচ্ছে সেন্ট লুইস কেথেড্রলের পেছনের দিক
সেন্ট লুইস কেথেড্রল
সেন্ট লুইস কেথেড্রল এবং জ্যাকসন স্কয়ার
সেন্ট লুইস কেথেড্রলের সামনে প্রেসিডেন্ট জ্যাকসনের স্ট্যাচু
একশ বছরের বেশি পুরানো ক্যাফে ড্যুমন
নিউ অর্লিন্সের ঐতিহ্যবাহী খাবারঃ মিষ্টি ভুট্টা, আলু আর ক্র-ফিশ
ফ্রেঞ্চ মার্কেট

এবার ফ্রেঞ্চ মার্কেটের ভেতরে খুব কাছে থেকে তোলা কয়েকটি ছবিঃ

8 Replies to “ফ্রেঞ্চ কোয়ার্টার, নিউ অর্লিন্স”

    1. দুঃখিত আদনান ভাই। ছবিগুলো ছোট করে দেয়া উচিৎ ছিল আমার। 😦
      এখন করসি। আশা করি এখন লোড হওয়া নিয়ে সমস্যা হচ্ছে না।

      লেখা ভাল লাগসে জেনে ভাল্লাগ্ল।
      অনেক ভাল থাকবেন।

      1. ব্যপার হইসে কী … এতদিন তো দেশের বাইরে ছিলাম, তাই উড়ন্ত-স্পিডের নেট ব্যবহার করতাম। এখন দেশে, তাই ডুবন্ত-স্পিডের নেট নিয়ে হাঁসফাঁস করতে করতে ব্রাউজ করি, এইজন্য পেজ লোড হতে খবর হয়ে গেছে! 🙂 (তবে উপরের মন্তব্যের ‘আধাঘন্টা’ ব্যপ্তিটা ছিল কথার কথা … বড়জোর মিনিট পাঁচেক লেগেছিল পেজ লোড হতে 😛 … জোশের ঠ্যালায় আরো পঁচিশ মিনিট যোগ করে ফেলেছিলাম।)

  1. প্রিয় ব্লগার, বাংলা ওয়ার্ডপ্রেসের ব্লগার/লেখকদের নিয়ে তৈরি করা ফেসবুকের এই গ্রুপে আপনাকে যুক্ত হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

    https://www.facebook.com/groups/391373174244563/

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s