ফ্রেঞ্চ কোয়ার্টার, নিউ অর্লিন্স

পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে অনেক ব্যাস্ত আছি কিছুদিন ধরে। সামনে পরীক্ষা থাকলে যা হয়, অনেক সময় এমন হয় যে পড়ছি না, কিন্তু মাথায় সবসময় পরীক্ষার টেনশন থাকে। ছবি তোলাতুলি অনেক কমে গেছে স্বাভাবাবিক ভাবেই। একই কারনে অনেক দিন কোনো পোষ্টও দেয়া হচ্ছে না। কেন জানি আজ একটা পোষ্ট দিতে মন চাইল। তাই, বেশ কিছুদিন আগে তোলা কিছু ছবি দিয়ে ফাঁকিবাজি টাইপের একটা পোষ্ট দিলাম।

বিস্তারিত পড়ুন

Advertisements

দক্ষিণ যাত্রা (পর্বঃ দুই)

রাতের বেলা রেষ্টুরেন্টে থেকে খেয়ে দেয়ে হোটেলে ফিরলাম। তারপর, ডিজনি ওয়ার্ল্ডের ঠিকানা গুগল করতে গিয়ে দেখি ডিজনি বাবাজি অনেকগুলো থিম পার্ক করে রাখসে। যেকোন একটায় গেলেই আমরা সারাদিনের জন্য গিট্টু খেয়ে যাব। এর উপ্রে টিকেটের দামের ব্যাপারতো আছেই। ঠিক হল আমরা যাব ডিজনির হলিউড থিম পার্কে।

বিস্তারিত পড়ুন

দক্ষিণ যাত্রা (পর্বঃ এক)

শীতকালীন ছুটি আর ক্রিসমাস মিলিয়ে হাতে প্রায় একমাসের মত অবসর সময়। এই ছুটিতে কোথাও বেড়াতে না যাওয়ার মত বোকামি করাটা ঠিক হবে না। এখন থাকছি নিউ অরলিন্সে। আর আগামী বছর চলে যাচ্ছি ওয়াশিংটন ডিসি। তাই ভাবলাম দক্ষিণ দিকে, মায়ামি গেলে কেমন হয়। একবার ওয়াশিংটনের দিকে চলে গেলে মায়ামি, ফ্লোরিডা দেখতে যাওয়াটা কঠিন হয়ে যাবে। সাথে যোগ দিল দুই নেপালি আর আর এক ইন্ডিয়ান বন্ধু। ঠিক হল আমরা যাব কি-ওয়েষ্ট, আমরিকার সর্বদক্ষিণ প্রান্ত। যাবার পথে অর্লান্ডো পড়বে, তাই হয়ত ঢু-মারা হবে বিখ্যাত ডিজনি ওয়ার্ল্ডেও। আর বিচ-টিচ তো ঘোরা হবেই। তেমন কোনো নির্দিষ্ট প্ল্যান নেই।

বিস্তারিত পড়ুন

ক্রিসমাসের আলোকসজ্জা

কদিন আগেই গেল আমেরিকার সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ক্রিসমাস। ক্রিসমাসের অন্যতম প্রধান অনুসংগ হচ্ছে ক্রিসমাস-ট্রি আর আলোকসজ্জা। সাধারনত ডিসেম্বরের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই আলোকসজ্জার তোড়জোড় শুরু হয়। পার্ক, লেকের পাড়, বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বর কিংবা বাড়ির সামনের গাছ-দেয়াল ইত্যাদি সাজানো হয় ছোটছোট রঙ-বেরঙের বাতি দিয়ে।এই আলোকসজ্জা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চলে ইংরেজি নববর্ষ পর্যন্ত। উইকি ঘেটে জানলাম, প্রথম দিকে খ্রীষ্টানরা প্রার্থনার জন্য জড়ো হবার সময় জানালায় মোমবাতি জ্বালাত। এটাই হচ্ছে আলোকঅসজ্জার গোড়ার ইতিহাস। ১৭শ শতকের মাঝামাঝি সময় ক্রিসমাস-ট্রিকে আলোকিত করার জন্য ছোট ছোট মোম জ্বালানো শুরু হয় জার্মানিতে। তবে, এভাবে ক্রিসমাস-ট্রিকে আলোকিত করার এই ব্যাপারটি জনপ্রিয় হয়ে ঊঠতে আর ইউরোপে ছড়িয়ে পড়তে লেগে যায় আরও প্রায় দু’শ বছর। ১৮৮১ সালে ইংল্যান্ডেই প্রথম ইলেক্ট্রিক আলোকসজ্জা করা হয়। হোয়াইট হাউজে আমিবিকা্র প্রথম ইলেক্ট্রিক আলোকসজ্জা হয় ১৮৯৫ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ক্লিভল্যান্ডের পৃষ্ঠপোষকতায়।

যা হোক, মূল কথায় আসি। এবার ক্রিসমাসে আলোকসজ্জার কিছু ছবি তুললাম। সেখান থেকে কয়েকটি সবার সাথে শেয়ার করতে ইচ্ছে করল। প্রথম দুটি ছবি নিউ অর্লিন্সে তোলা আর বাকিগুলো তোলা ফ্লোরিডার অর্লান্ডোতে। শেষের চারটি তোলা ডিজনি ওয়ার্ল্ডের হলিউড থিম পার্কে। এই থিম পার্কের আলোসজ্জা দেখে মাথা নষ্ট হবার অবস্থা। ছবিগুলোকে পূর্ন রেজুলুশনে দেখা যাবে আমার ফ্লিকারে

১. বাড়িতে আলোকসজ্জা

বিস্তারিত পড়ুন

ক্লোন ফটোগ্রাফি

আসদাস
আমি এবং আমি


কয়েকদিন আগে ফেসবুকে এই ছবিটা আপলোড করেছিলাম। আমার বাসার দরজার সামনে বসে আমি একটা বই পড়ছি আর আমার দুটো ক্লোনে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। অনেকেই জানতে চাইল, কিভাবে ছবিটা তোলা। ছবিটা আসলেই খুব মজার। আরও মজার ব্যাপার হল, যেকোনো সাধারন মানের “পয়েন্ট এন্ড শুট” ক্যামেরা দিয়েই এমন ছবি তোলা সম্ভব। তাই ভাবলাম আইডিয়াটা সবার সাথে শেয়ার করি।

বিস্তারিত পড়ুন

হিন্দি ছিঃনেমা

মেমেন্টো vs গাজনি

হিন্দি বুঝি না, বোঝার চেষ্টাও করিনি কখনও। কেন জানি হিন্দি ফিল্ম দেখাতে ভালও লাগে না। সাবটাইটেল সহ পেলে আমির খানের ছবি দেখি মাঝে মাঝে। দিল চাহ তা হে, লাগান দেখার পর মনে করলাম ওর ছবি দেখা যায়। কিন্তু এই আমিরও যখন হলিউডের কপি করা ছবিতে অভিনয় করে তখন আর তার উপর কেমনে শ্রদ্ধা থাকে? ভাবছেন, আমির খান আবার কপি করা ছবিতে কবে অভিনয় করল? করসে রে ভাই।

বিস্তারিত পড়ুন

এলো বিজয়ের মাস


আমাদের সবচেয়ে গর্বের অর্জন আমাদের স্বাধীনতা, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। ৪৭ এ বৃটিশ পরাধীনতার হাত থেকে গিয়ে পরলাম পাকিস্তানীদের হাতে। কেবলমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে গঠিত, অগণতান্ত্রিক এবং অবৈজ্ঞানিক এই পাকিস্তান রাষ্ট্রটি গঠনের পর থেকেই বাঙালিদের তথা পূর্বপাকিস্তানীদের প্রতি শুরু হল পশ্চিমপাকিস্তানীদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক নিপিড়ন আর সীমাহীন বঞ্চনা। ৫২, ৬৬, ৬৯, ৭০ এর আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আসল ৭১, আসল ৭ই মার্চ।বাঙালির ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ, স্বাধিকার আর আত্মনিয়ন্ত্রণের দাবী চিরকালের মত স্তব্ধ করে দিতে ২৫শে মার্চের কাল রাতে নিরীহ বাঙালিদের উপর ঝাপিয়ে পড়ল পাকিস্তানী হায়েনার দল। শুরু হল ইতিহাসের ভয়বহতম গনহত্যা।

প্রায় সাথে সাথেই শুরু হল প্রতিরোধ। শুরু হল আমাদের গৌরবের মহান মুক্তিযুদ্ধ। অন্যদিকে গঠিত হল ঘৃন্য রাজাকার-আল বদর-আল শামস্‌ বাহিনী। হত্য, ধর্ষন, লুটপাট- কি করেনি এই রাজাকারের দল। পরাজয় নিশ্চিত জেনে নয় মাসের এই যুদ্ধের শেষের দিকে ওরা পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করল আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের। লাখ বাঙালির ত্যাগের বিনিময়ে ১৬ই ডিসেম্বর পেলাম স্বাধীনতা, আমাদের প্রিয় বিজয়। আর আমাদের এই বিজয় পূর্নতা পাবে তখনই যখন বাংলার মাটিতে, পশুরও অধম ঐ রাজাকারদের বিচার হবে।

———————————————————————————————————————————————————
বিজয়ের মাসকে উদ্‌যাপন করতে ব্যানার(হেডার) পরিবর্তন করলাম। মাসজুড়ে থাকবে এই ব্যানার। ফেসবুক আর টুইটরেও প্রফাইল ছবি পরিবর্তন করলাম। গতবার ফেসবুকে (১৪ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর) প্রফাইল ছবি পরিবর্তন করে বাংলাদেশের পতাকা দেবার জন্য সবাইকে উৎসাহ দিয়ে একটা ইভেন্ট আয়োজন করেছিলাম আমরা ক’জন। বেশ সাড়াও পেয়েছিলাম। এবার দেখলাম অনেকেই এখনই প্রফাইল ছবি বদলে ফেলেছে।